Posted by: PrInCe
on Jul 16, 2011
Tagged in: Untagged
লন্ডন থেকে ফিরে শাহীন চৌধুরী, ১৫ জুলাই (শীর্ষ নিউজ ডটকম): গত বছরের জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত স্টুডেন্ট ভিসায় প্রায় ১ লাখ বাংলাদেশি ছাত্র যুক্তরাজ্যে যায়। আদম ব্যবসায়ীদের প্রতারণার শিকার এই ছাত্র নামধারীদের ৮০ থেকে ৯০ ভাগই অছাত্র। যুক্তরাজ্যে গেলে ভাল টাকা আয় করা যাবে, ভবিষ্যতে সেদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে ইত্যাদি বিভিন্ন প্রলোভনে মাথা প্রতি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে তাদের ভিসার ব্যবস্থা করা হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে একপর্যায়ে ব্রিটিশ সরকার কিছুদিনের জন্য স্টুডেন্ট ভিসাই বন্ধ করে দেয়। কিন্তু এরমধ্যে যারা সেদেশে গিয়ে পৌঁছে তারা মারত্মক বিপাকে পড়ে। টাকা-পয়সার অভাবে কয়েক হাজার ছাত্র মানবেতর জীবন-যাপন করতে বাধ্য হয়।
সংশ্লিষ্ট একটি বেসরকারি সংস্থার হিসাব মতে, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ১ লাখ ছাত্রের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার ছাত্র গত এক বছরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে পাড়ি জমিয়েছে। ১০ হাজার ছাত্র প্রকৃতপক্ষেই ছাত্র, ফলে তারা কষ্ট করে হলেও পড়াশুনা শেষ করে আসার পক্ষপাতি। বাকি ৭০ হাজার ছাত্র এখন দেশে ফিরে আসার অপেক্ষায়। কিন্তু বড় সমস্যা হচ্ছে এসব ছাত্রের কাছে দেশে ফিরে আসার মতো বিমান ভাড়াও নেই। আবার ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ করে সেদেশে গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসাও তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এদের অনেকেই রয়েছে যারা আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীর কাছ থেকে ঋণ করে এমনকি জমি বিক্রি করে যুক্তরাজ্যে গেছে। তাই তারা কিভাবে এখানে ফিরে আসবে বা দেশে এসেই কি করবে? এসব প্রশ্নও তাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু টাকা আয় করারও উপায় নেই। কারণ স্টুডেন্ট ভিসায় যারা যুক্তরাজ্যে যায় তাদের সপ্তায় ৮ ঘণ্টার বেশী কাজ করার সুযোগ নেই। আর ৮ ঘণ্টার কাজ করে যে টাকা পাওয়া যায় তা দিয়ে ঘরভাড়া হাত খরচের টাকাই হয় না। সুতরাং টাকা জমা করা কারো পক্ষে সম্ভবপর হয় না। আর টাকা না হলে দেশে ফিরবে কিভাবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেলে এ ধরনের একাধিক বাংলাদেশি ছাত্রের সঙ্গে এই প্রতিনিধির কথা হয়। আব্দুল আহাদ নামে এক ছাত্র জানায়, তার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলায়। প্রায় এক বছর হলো সে লন্ডনে এসেছে। এখানে আসতে তার বিমান ভাড়াসহ প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কিভাবে এই টাকা উঠবে তা সে জানে না। আক্ষেপ করে সে বলে- কি আর বলব ভাই আমাদের খবর কেউই রাখে না। অন্যদের বক্তব্যও ছিল একইরকম।
ইমিগ্রেশন ফোর ইউ-এর অন্যতম কর্ণধার ব্যারিস্টার তমিজ উদ্দিন শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, স্টুডেন্ট ভিসা এদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। আমাদের দেশের মানুষ না বুঝেই এখানে আসছেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এখানে কাজের সুযোগ যেমন কমে গেছে তেমনি সরকারও নজরদারি বাড়িয়েছে। ফলে স্টুডেন্ট ভিসায় এসে কাজ করার সুযোগ আর নেই। তিনি এ ব্যাপারে দেশবাসীর আরো সচেতনতা কামনা করেন।
Posted by: PrInCe
on Jul 16, 2011
Tagged in: Untagged
সিলেট, ১৬ জুলাই (শীর্ষ নিউজ ডটকম): অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, অচিরেই সিলেটে স্পেশাল ইকনোমিক জোন স্থাপন করা হবে। এ জোন স্থাপন করা হবে মৌলভীবাজারের শেরপুরে। শিগগিরই সকল জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে শেরপুরকে স্পেশাল ইকনোমিক জোন হিসেবে ঘোষণা করা হবে। শুক্রবার রাতে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রদত্ত সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী একথা বলেন।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, শিগগিরই সিলেটে বিদ্যুত সমস্যার সমাধান করা হবে। সিলেটের সঙ্গে ভারতের সাত রাজ্যের বাণিজ্য প্রসারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
চেম্বার সভাপতি ফারুক আহমদ মিসবাহর সভাপতিত্বে অর্থমন্ত্রীকে বাজেটোত্তর এ সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেন, এ মাসের ২৩ তারিখে সুনামগঞ্জে সীমান্ত হাট উদ্বোধন করা হবে। এ হাট অত্র এলাকার বাণিজ্য প্রসারে ভূমিকা রাখবে। তিনি এবারের বাজেটকে দরিদ্রবান্ধব উল্লেখ করে বলেন, এ বাজেট প্রদানের জন্য অর্থমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার মাধ্যমে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সম্মাননা প্রদান করা হলো। এ সময় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য বিশ্ব বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়াকে দায়ী করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মেয়র কামরান বলেন, রমজানের আগেই সিলেট নগরীর ফুটপাত হকারমুক্ত করা হবে। এছাড়া রমজানে দ্রব্যমূল্য অহেতুক বৃদ্ধি না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
এফবিসিসিআই'র সভাপতি একে আজাদ হরতাল দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত না করার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান। রাজনৈকিত স্থিতিশীলতা ও সৌহার্দ্য রক্ষায় সরকারকে আরো উদার হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি। সভার শুরুতে সিলেট চেম্বারের সভাপতি ফারুক আহমদ মিসবাহ সিলেটের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যেন মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার, শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মাহমুদ সামাদ চৌধুরী কয়েস।
Posted by: PrInCe
on Nov 10, 2009
Tagged in: Untagged
Maulvi Bazar is a district in North-Eastern Bangladesh. It is a district of the Sylhet Division. Islam was brought to the area hundreds of years ago by the famous Muslim Saint, Hazrat Shah Jalal (RA). The Shrine of Hazrat Shah Mustafa (RA) a companion of the greatest saint Hazrat Shah Jalal (RA) is located in Moulvibazar town. Originally, with the advent of a saint Hazrat, Syed Shah Mustafa Sher-E-Sowar Chabukmar Baghdadi (RA) for preaching Islam, Moulvi Bazar became famous. Moulvi Bazar got its name from the large number (360) of Muslim priests, or Moulvis, that inhabited the area following the advent of Islam. In the year 1882, it was declared a sub-division under the name of "South Sylhet". Later the Sub-division was renamed, during the British occupation of the region, as Moulvi Bazar. In 1984, the then President H.M.Ershad upgraded Moulvi Bazar to the status of 'district'. The First Deputy Commissioner of the district was Shakir Uddin Ahmed and the first Police Superintendent was Mukleshur Rahman. Saifur Rahman, the longest serving finance minister of Bangladesh, hails from this district. The area is home to the shrine of Shah Mustafa, a companion of Shah Jalal, the man who brought Islam into what was then India. It is also home to many tea plantations. Moulvi Bazar town now has a shopping mall and several Indian, Chinese and American eateries.
Maulvi Bazar is in Sylhet, a district to the North-East of Bangladesh. It is 2,707 km� in area, and has a population of 1.38 million. It is situated between 24.10 degree 24.35 degree north latitude and between 90.35 degree and 91.20-degree east longitude. It is surrounded by Sylhet District in the north, Habiganj District in the west and Indian States of Assam and Tripura in the east and south respectively. The main rivers of the district are the Manu, the Dholoi and the Juri. These rivers flow from India. Every year during the rainy season, when there is excessive rainfall in India, the surplus water flows through these rivers causing huge floods in the low-lying parts of Maulvi Bazar (e.g. the villages of Balikhandi and Shampashi on the northern side of the river Manu). Unless the rivers are properly dredged the floods can be devastating. Maulvi Bazar is made up of 6 subdivisions or upazilas. They are: * Maulvibazar Sadar * Rajnagar * Sreemangal * Kamalganj * Kulaura * Barlekha There are 67 Unions, 2,064 Villages and 4 Pourashavas namely Kamalganj, Kulaura, Sreemongal, Moulvibazar. Almost 50,000 of the tribal population belong to Manipuri, Khasia and Tripura tribes. They tend to live in the areas of Kamalganj, Sreemongal and Kulaura Upazila of this district. There are 92 tea gardens in this district that has made it one of the most beautiful places in Bangladesh




Posted by: PrInCe
on Nov 10, 2009
Tagged in: Untagged
Hakaluki Haor
Hakaluki Haor located in greater Sylhet, the haor offers a very different type of ecosystem as well as a new set of management issues. The haor basin is an extensive alluvial plain supporting a variety of wetland habitats. It contains about 47 major haors and more than 6,000 beels, or freshwater lakes, nearly half of which are seasonal. Hakaluki Haor itself is a complex of more than 80 inter-connecting beels located in the Maulvi Bazar district. During the dry season, the beels cover an area of approximately 4,400 ha. However, during the rainy season, the entire area gets flooded, and the beels are united as one large lake, or haor, with an area of approximately 18,000 ha. This makes it the largest haor in Bangladesh. Some 190,000 people live surrounding Hakaluki haor area. Hakaluki haor is a highly significant site for a wide variety of waterfowl. It is important for wintering migratory birds. Its overall significance is perhaps best expressed with reference to the various criteria for inclusion as a Ramsar site. "It is a particularly good representative example of a wetland which plays a substantial hydrological, biological or ecological role in the natural functioning of a major river basin85" (Ramsar Criterion 1.c); "It supports an appreciable assemblage of rare, vulnerable or endangered species of plant or animal, or an appreciable number of individuals of any one or more of these species." (Criterion 2.a); "It is of special value for maintaining the genetic and ecological diversity of a region because of the peculiarities of its flora and fauna." (Criterion 2.b); "It regularly supports about 20,000 waterfowl." (Criterion 3.a); "It regularly supports substantial numbers of individuals from particular groups of waterfowl, indicative of wetland values, productivity or diversity" (Criterion 3.b

Posted by: PrInCe
on Nov 10, 2009
Tagged in: Untagged
Posted by: PrInCe
on Nov 10, 2009
Tagged in: Untagged
Posted by: PrInCe
on Nov 10, 2009
Tagged in: Untagged
Posted by: PrInCe
on Oct 08, 2009
Tagged in: Untagged
পূর্বে সিলেটের কীন ব্রিজ এবং চাঁদনী ঘাটের আলী আমজাদের ঘড়ি বিষয়ক একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। ঘড়ি বিষয়ক কোন তথ্য প্রায় ছিলই না বলা যায়। যেটুকু ছিল তা ইন্টারনেট থেকে নিয়েছিলাম। ঘড়ির তথ্যের বিষয়ে
ব্লগার জনাব মুনিম দ্বিমত করেন এবং কিছু তথ্য দেন। এরপর আমি নিজেই তথ্য খুঁজতে শুরু করলাম এবং যা পেলাম তা আজকে পূর্ববর্তী তথ্যের সংশোধনী হিসেবে সবার সাথে শেয়ার করলাম।
সিলেট অঞ্চলে এটি প্রতিষ্ঠিত যে ঘড়িটি কুলাউড়ার পৃথিম পাশার জমিদার আলী আমজাদ তৈরি করেছেন। ঘড়িটি নির্মিত হয় ১৮৭৪ সালে। আলী আমজাদের জন্ম ১৮৬৯ সালে। তাহলে মাত্র ৫ বছর বয়সে আলী আমজাদ কিভাবে ঘড়িটি তৈরি করলেন? ইতিহাসবিদ জানাচ্ছেন, আলী আমজাদের ৫ বছর বয়স পূর্ণ হবার পূর্বেই তাঁর পিতা আলী আহমদ মারা যান। সিলেটের আদালত থেকে তাঁর এস্টেট দেখাশুনা করার জন্য একজন একজিকিউটর নিয়োগ করা হয়।
১৮৭৪ সালে সিলেট জেলা আসাম প্রদেশের সাথে একত্রীভুক্ত হয়। তখন এই নিয়ে সিলেটে তীব্র প্রতিবাদ করা হয়। সিলেটের জনগণকে শান্ত করার জন্য তৎকালীন বড়লাট লর্ড নর্থ ব্রুক সিলেট সফর করেন। এবং বড়লাটের সফর উপলক্ষে এই ঘড়ি নির্মাণ করা হয় আলী আমজাদের জমিদারীর তহবিলের অর্থ থেকে। সেই সময় সিলেটকে বর্ণনা করা হতো এভাবে-
“চান্নিঘাটের সিড়ি
জিতু মিয়ার গাড়ি
আর আলী আমজাদের ঘড়ি”
অর্থাৎ দিল্লি সফর করে এসে আলী আমজাদ ঘড়ি তৈরি করেছেন সেটি আর টেকে না।
ঘড়ি ঘরের পরিমাপ নিম্নরূপ: দৈর্ঘ্য: ৯ ফুট ৮ ইঞ্চি
প্রস্হ: ৮ ফুট ১০ ইঞ্চি
নীচ থেকে ছাদ পর্যন্ত উচ্চতা: ১৩ ফুট
ছাদ থেকে ঘড়ি অংশের উচ্চতা: ৭ ফুট
ঘড়ির উপরের অংশের উচ্চতা: ৬ ফুট
মোট উচ্চতা: ২৬ ফুট
------------------------------------------------------------------
Posted by: PrInCe
on May 24, 2009
Tagged in: Untagged
স্বাধীনতা উত্তরকাল থেকে এখন অব্দি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির তালিকা নিশ্চয়ই অনেকের জানা। তবে সবার জানা থাকবে এমনও তো নয়। ধরে নেন যারা জানেন না তাদের জন্য এই পোস্ট।
তালিকা:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ থেকে ৯ জানুয়ারি ১৯৭২।
আবু সাইদ চৌধুরী ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ১৯৭৩।
মোহাম্মদ উল্লাহ ২৪ ডিসেম্বর ১৯৭৩ থেকে ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ থেকে ১৪ আগস্ট ১৯৭৫।
খন্দকার মোশতাক আহমেদ ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ৬ নভেম্বর ১৯৭৫।
এসএম সায়েম ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ থেকে ২০ এপ্রিল ১৯৭৬।
জিয়াউর রহমান ২১ এপ্রিল ১৯৭৬ থেকে ২৯ মে ১৯৮১।
আবদুস সাত্তার (ভারপ্রাপ্ত) ৩০ মে ১৯৮১ থেকে ১৯ নভেম্বর ১৯৮১।
আবদুস সাত্তার ২০ নভেম্বর ১৯৮১ থেকে ২৩ মার্চ ১৯৮২।
এএফএম আহসান উদ্দিন চৌধুরী ২৭ মার্চ ১৯৮২ থেকে ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৩।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১১ ডিসেম্বর ১৯৮৩ থেকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০।
সাহাবুদ্দিন আহাম্মদ (অস'ায়ী) ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ থেকে ৯ অক্টোবর ১৯৯১।
আবদুর রহমান বিশ্বাস ৯ অক্টোবর ১৯৯১ থেকে ৯ অক্টোবর ১৯৯৬।
সাহাবুদ্দিন আহাম্মদ ৯ অকেক্টাবর ১৯৯৬ থেকে ১৪ নভেম্বর ২০০১।
একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ১৪ নভেম্বর ২০০১ থেকে ২১ জুন ২০০২।
মো. জমিরউদ্দিন সরকার (দায়িত্বপ্রাপ্ত)- ২১ জুন ২০০২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর ২০০২।
ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ থেকে দায়িত্ব পালনরত।
আবার আসিব ফিরে, ধানসিড়িটির তীরে,
এই বাংলায়.........
Posted by: PrInCe
on May 24, 2009
Tagged in: Untagged
আমরা সবাই প্রতি বছরে ১লা বৈশাখের এই দিনটির জন্য অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু আমরা সবাই কি জানি এই পহেলা বৈশাখের ইতিহাস। আজকে এর ইতিহাস খুজতে গিয়ে নিন্মে দেয়া তথ্যটুকু পেলাম।
যা আপনাদের সাথে এখানে শেয়ার করলাম।
চৈত্রসংক্রান্তি, চৈত্র মাসের শেষদিনটির গোধূলী লগ্নে ধূলো উড়িয়ে ঘরে ফেরা রাখাল কি জানে একটু পরেই লাল সূর্যটা ডুবে গিয়ে যে নতুন দিনের আগমনী বার্তা জানাবে সেই নতুন দিনের আগমন ইতিহাস!
গাঁয়ের মহাজন কি জানে তাঁর খাজাঞ্চি বগলের নিচে যে লাল মলাটের স্বাস্থ্যবান খাতাটি নিয়ে ঘুরে তার হিসাব বন্ধের পিছনে 'হালখাতা' নামক শব্দটির ইতিহাস!
গঞ্জের পাইকারী ব্যবসায়ী কি জানে, তাঁর সকল ক্রেতার কাছ থেকে পুরনো বছরের হিসাব বুঝে নিয়ে যে মুফতে মিষ্টিমুখ করিয়ে দিলো তার পেছনের ঘটনা!
কিংবা ওইযে হালের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া, অশুদ্ধ বাংলা উচ্চারণে অভ্যস্ত যে ছাত্রটি গায়ে দামী রঙ-চঙা পাঞ্জাবী চড়িয়ে সাতসকালে রমনার বটমূলে গিয়ে হেরে গলায় "এসো হে বৈশাখ, এসো এসো" গানে তাল মেলাচ্ছে সে কি জানে এই গানটির পেছনের ইতিহাস!
আমি নিশ্চিত না হয়েও বলতে পারি, উল্লেখিত জনের মতো অনেকেই জানে না বৈশাখের ইতিহাস, বৈশাখের ঐতিহ্য, বৈশাখের আবেদন একজন বাঙালীর জীবনে কতটুকু।
বৈশাখ বাঙালীর জীবনে এমনি এমনি আসেনি। এদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তি বারবার চেষ্টা করেছে বৈশাখের ঐতিহ্যকে রুখে দিতে, তার ইতিহাসকে ধ্বংস করতে, প্রচার করেছে "হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি" বলে। কিন্ত ইতিহাস বলে, যার হাত দিয়ে বৈশাখ কিংবা বাংলা নববর্ষের গোড়াপত্তন হয়েছে তিনি কেবল মুসলমানই ছিলেন না বরং সারা মুসলিম বিশ্বে একজন নামকরা, উদারপন্থি শাসক হিসেবে আজও পরিচিত। সেই জালালুদ্দিন মুহাম্মদ আকবরের শাসনভার গ্রহনের আগে মুঘল আমলের পুরোটা সময় ধরেই কৃষিখাজনা আদায় হতো হিজরী সনের হিসাবে।
হিজরী সন নির্ধারিত হয় চাঁদের হিসাব অনুযায়ী, কিন্ত উপমহাদেশের সারা বছরের কৃষিকাজ চাঁদের সাথে অতোটা সম্পর্কায়িত নয়, যে কারণে কৃষকেরা তখন খাজনা প্রদানে নানা প্রতিকূলতার সন্মুখীন হতো। যথাসময়ে যথাযোগ্য খাজনা আদায়ের অভিপ্রায়ে তখন সম্রাট আকবর তাঁর সভার বিশিষ্ট গুণীজন ফাতেউল্লাহ্ সিরাজীকে দিয়ে হিজরী চন্দ্রাব্দ এবং বাংলা পঞ্জিকার সমণ্বয়ে "বাংলা বছর"-এর প্রচলন করেন, যা "ফসলী সন" নামে ১৫৮৪ এর মার্চ মাসে প্রবর্তিত হয়। প্রকৃতপক্ষে ১৫৫৬ সালে সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের দিনটি থেকেই বঙ্গাব্দ বা বাংলা বছরের সূত্রপাত হয়।
সম্রাট আকবরের আমল থেকেই বাংলা নতুন বছরাগমনের অর্থাৎ বৈশাখের প্রথম দিনটির উৎসবমূখর উদযাপন হয়ে আসছে। বছরের শেষদিন, চৈত্রসংক্রান্তির সূর্য পশ্চিমাকাশে ডুব দেবার আগেই পুরাতন অর্থবছরের সকল হিসাব চুকিয়ে ফেলার নিয়ম। বছরের প্রথম দিন মহাজন, ব্যবসায়ীরা তাদের ক্রেতা বন্ধুদের নিমন্ত্রন করে মিস্টিমুখ করানোর মাধ্যমে সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবসায়ীক লেনদেনের পুনঃসূচনা করতেন "হালখাতা" বা হিসাবের নতুন খাতা খোলে। হালখাতার লুপ্তপ্রায় এই ধারাটা সোনা-ব্যবসায়ীরা আজও ধরে রেখেছে।
সম্রাট আকবরের আমলে সর্বভারতে খাজনা আদায়ের নতুন বছরের সূচনা হলেও, পুরনো দিনের সকল হিসাব পেছনে ফেলে আনন্দের নতুন বছরে পদার্পন বাঙালীদের মাঝে ঐতিহ্য হিসেবে টিকে গেছে 'পহেলা বৈশাখ' হিসেবে। সবচেয়ে বর্ণাঢ্য বৈশাখ উদযাপন হয় ঢাকা শহরকে ঘিরে। বছরের প্রথম সূর্যের আলোকে বরণ করে নিতে দলে দলে লোক সমবেত হয় রমনার বটবৃক্ষের তলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের তত্ত্বাবধানে বের করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, যা সারা বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বর প্রদক্ষিণ করে। পাঞ্জাবী পরিহিত ছেলেদের পাশে খোঁপায় বেলী ফুলের মালায় সজ্জ্বিত হয়ে, লাল পেড়ে সাদা শাড়ীর তরুণীরা মেতে ওঠে "ইলিশ-পান্তা" উৎসবে।
গ্রামাঞ্চলও কোনদিক দিয়ে পিছিয়ে নেই "পহেলা বৈশাখ" উদযাপনে। জায়গায় জায়গায় বসে মেলা হরেক রকম জিনিষের পসরা সাজিয়ে। বাড়ি বাড়ি বিলানো হয় ঘরে তৈরী মিষ্টি, নতুন চালের পায়েস ইত্যাদি।
আর সবকিছু ছাপিয়ে এ প্রজন্মের একজন বাঙালীকে বৈশাখ যা শেখায় তা হলো সংগ্রাম করার সংকল্প। বাংলা সংস্কৃতির ওপর কালো থাবা বিস্তারে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার পূর্বপাকিস্তানে রবীন্দ্রসংগীতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে। পাকিস্তান সরকারের এই অন্যায় আচরণের জবাব দিতেই "ছায়ানট" ১৯৬৫ সালের ১৪ এপ্রিল (১লা বৈশাখ, বাংলা ১৩৭২ সন) রমনার বটমূলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "এসো হে বৈশাখ এসো এসো" গানটি দিয়ে সর্বপ্রথম যাত্রা শুরু করে। বস্তুত এই দিনটি থেকেই "পহেলা বৈশাখ" বাঙালী সংস্কৃতির অন্যতম এক পরিচায়ক রূপ ধারণ করে। ১৯৭২ সালে (বাংলা ১৩৭৯ সন) 'পহেলা বৈশাখ' বাংলাদেশের জাতীয় পার্বন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবার আগ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার ২১এ ফেব্রুয়ারীর মতোই থামিয়ে দিতে চেয়েছে বৈশাখের উদযাপন। সেই সূত্র ধরেই ২০০১ (বাংলা ১৪০৮ সন) সালের বোমা-গ্রেনেড হামলা।
কিন্ত অজেয় বাঙালীর সামনে মাথা তুলে কোনদিনই দাঁড়াতে পারেনি কোন সাম্প্রদায়িক শক্তি। পহেলা বৈশাখের আবেদনও শেষ হয়ে যায়নি শত বাঁধার মুখেও। ঢাকার রমনা কিংবা গাঁয়ের সবচেয়ে প্রাচীন বটগাছটির গন্ডি পেরিয়ে বৈশাখ আজ পালিত হয় বিশ্বের প্রায় প্রতিটি শহরে যেখানে ন্যূনতম সংখ্যক বাঙালীও বিদ্যমান।
এইতো আমাদের বাঙালী ঐতিহ্য, এইতো আমাদের বৈশাখের ঐতিহ্য, যেকোনো বাধা বিপত্তি পেরিয়ে, সহস্র প্রতিকূলতা ছাড়িয়ে, রাস্ট্রীয় অস্থিতিশীলতার মাঝেও আমাদেরকে মাতিয়ে তোলে বর্ষবরণ উদযাপনে।